সোজা কথা ডটকম
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • মানবাধিকার
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • প্রবাস
  • মতামত
  • যুক্তরাজ্য
  • বিবিধ
    • স্বাস্থ্য
    • কলাম
    • ভিডিও
    • সোশ্যাল মিডিয়া
    • লাইফস্টাইল
    • সাক্ষাৎকার
  • ENGLISH SECTION
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • মানবাধিকার
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • প্রবাস
  • মতামত
  • যুক্তরাজ্য
  • বিবিধ
    • স্বাস্থ্য
    • কলাম
    • ভিডিও
    • সোশ্যাল মিডিয়া
    • লাইফস্টাইল
    • সাক্ষাৎকার
  • ENGLISH SECTION
No Result
View All Result
সোজা কথা ডটকম
No Result
View All Result

মিয়ানমারের মানচিত্র থেকেও এবার নিশ্চিহ্ন হয়েছে রোহিঙ্গা গ্রাম

Saturday, 12 September, 2020 | 3:44 am
0
মিয়ানমারের মানচিত্র থেকেও  এবার নিশ্চিহ্ন হয়েছে রোহিঙ্গা গ্রাম

সোজা কথা ডেস্ক রিপোর্ট : তিন বছর আগে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের গ্রাম কান কিয়ায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, পুরো গ্রাম বুলডোজার দিয়ে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছিল মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এবার দেশটির সরকারি মানচিত্র থেকেও গ্রামটিকে মুছে ফেলা হয়েছে। জাতিসংঘ জানায়, গত বছর মিয়ানমার সরকারের তৈরি করা দেশের নতুন মানচিত্রে কান কিয়া গ্রামের অস্তিত্বই নেই। খবর রয়টার্সের।

কান কিয়া  গ্রামটি নাফ নদ থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে। সেখানে কয়েকশ’ মানুষ বাস করতেন। ২০১৭ সালে রাখাইনের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযানের সময় কান কিয়ায় আগুন দেওয়া হয়। পুড়ে যায় পুরো গ্রাম। জীবন রক্ষায় সেখানকার বাসিন্দারা পালাতে শুরু করে। রাখাইনের ওই অভিযানে প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। তাদের মধ্যে অনেকেই গুলিতে আহত কিংবা আগুনে দগ্ধ ছিল। নির্যাতনের শিকার এই মানুষগুলোর বিবৃতিতে মিয়ানমার সেনাদের ভয়াবহ নিপীড়নের চিত্র আরও প্রকাশ্যে আসে। ক্ষতবিক্ষত গ্রামটির অস্তিত্ব বিলীন করতে সেখানে বুলডোজারও চালানো হয়। ওই অভিযান সন্ত্রাস দমনের জন্য চালানো হয়েছিল বলে দাবি করে আসছে মিয়ানমার সরকার। তবে জাতিসংঘ তাদের এই কর্মকাণ্ডকে ‘জাতিগত নিধন’ বলে আখ্যা দিয়েছে। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আদালতে এখন দেশটির সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে শুনানি চলছে।

কান কিয়া গ্রামটিতে এখন ডজনের বেশি সরকারি ও সামরিক ভবন গড়ে উঠেছে। ভূউপগ্রহের ছবিতে পুলিশ ঘাঁটির জন্য দেওয়া বেড়াও দেখা যায়। প্রত্যন্ত অঞ্চলের ওই গ্রামটিতে আগে থেকেই বিদেশিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল।

মিয়ানমারে জাতিসংঘের ‘ম্যাপিং ইউনিট’ চলতি বছর দেশটির নতুন ম্যাপ তৈরি করেছে। দেশটির সরকারি মানচিত্রের ভিত্তিতে নিজেদের ম্যাপ তৈরি করে জাতিসংঘের ‘ম্যাপিং ইউনিট’। জাতিসংঘের অধীনে নানা সংস্থা ওই ম্যাপ ব্যবহার করে। তারা জানায়, নতুন মানচিত্রে গুঁড়িয়ে দেওয়া গ্রামের নাম আর নেই। ওই জায়গাটিকে এখন কাছের মংডু শহরের বর্ধিতাংশ বলা হচ্ছে।

নিউইয়র্ক ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, ২০১৭ সালের অভিযানের সময় মিয়ানমার সেনারা কান কিয়ার মতো অন্তত চারশ’ গ্রাম ধ্বংস করেছে। তারা ভূউপগ্রহের ছবি বিশ্নেষণ করে এ তথ্য জানিয়েছে। গ্রামগুলোর মধ্যে অন্তত এক ডজন গ্রামের নাম এখন মানচিত্র থেকেও মুছে ফেলা হচ্ছে। বাংলাদেশের ক্যাম্পে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ রফিকের মতে, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ চায় রোহিঙ্গারা যেন আর ফিরে না যায়।

মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় রাখাইন রাজ্যের পুনর্গঠনের কাজ দেখভাল করছে। গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে তাদের কাছে গ্রামের নাম মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার কারণ এবং কবে নাগাদ রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে আনা হবে তা জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তারা এসব বিষয়ে কথা বলার জন্য জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্টে (জিএডি) যোগাযোগ করতে বলেন। সেখানে যোগাযোগ করে কারও কোনো সাড়া মেলেনি।

মিয়ানমারে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সাবেক দূত ইয়াংহি লি বলেন, মিয়ানমার সরকার ইচ্ছা করেই শরণার্থীদের নিজ ভূমিতে ফেরা কঠিন করে তুলছে। যেখানে এখন নাম বা বসবাসের চিহ্ন নেই সেখানে তারা কীভাবে ফিরবে? তিনি আরও বলেন, এভাবে সেখান থেকে নির্যাতিত এই মানুষগুলোর শিকড় নির্মূল করে দেওয়া হচ্ছে।

এসব কাজের জন্য মিয়ানমার সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় না করিয়ে জাতিসংঘ উল্টো তাদের এ কাজের অনুমতি দিয়ে দিচ্ছে অভিযোগ করে লি বলেন, সেখানে এমন কোনো নেতা নেই যিনি বলবেন- ‘দাঁড়ান, এখানেই থামুন, আমরা এটা চালিয়ে যেতে দেব না।’ রোহিঙ্গাদের অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন করার প্রক্রিয়াটি কেন জাতিসংঘ বন্ধ করছে না- এমন প্রশ্ন সংস্থাটির একাধিক কর্মকর্তাকে করলেও তারা কোনো মন্তব্য করেননি।

সর্বশেষ ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার আগেও নব্বই দশকে পালিয়ে আসা আরও তিন থেকে পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা এখানে ছিল। নির্যাতনের শিকার এই মানুষগুলোকে  নিজ দেশে ফেরাতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হলেও তা এক প্রহসনের নজির  হয়ে আছে।

Tags: মিয়ানমারমিয়ানমারের সেনাবাহিনীরোহিঙ্গা
Previous Post

এড. শাহানূর ইসলামের ওপর হামলার প্রতিবাদে র‍্যালী ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

Next Post

ধান গবেষকদের সাফল্য: লবণাক্ততা সহনশীল নতুন ৩ জাত উদ্ভাবন

Next Post
ধান গবেষকদের সাফল্য: লবণাক্ততা সহনশীল নতুন ৩ জাত উদ্ভাবন

ধান গবেষকদের সাফল্য: লবণাক্ততা সহনশীল নতুন ৩ জাত উদ্ভাবন

লিখুন - বলুন - তথ্য দিন।।

দেশে বিদেশে যেখানে থাকুন আপনি হ্যাঁ আপনি যুক্ত হতে পারেন সোজাকথা ডটকম পরিবারের সাথে। রিপোর্টার, লেখক কিংবা তথ্যদাতা হিসেবে থাকুন! যুক্ত হতে লিখুন/ লেখা পাঠান। লেখা পাঠানোর ঠিকানা sojakotha.com@gmail.com

সম্পাদক ও প্রকাশক (অবৈতনিক):

ব্যারিস্টার শাহ আলম ফারুক

Contact Us

Email : sojakotha.com@gmail.com

অনুসরণ করুন

Browse by Category

  • ENGLISH SECTION
  • কলাম
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • নির্বাচিত
  • প্রবাস
  • বাংলাদেশ
  • বিনোদন
  • বিবিধ
  • বিশ্ব
  • ভিডিও
  • মতামত
  • মন্তব্য প্রতিবেদন
  • মানবাধিকার
  • যুক্তরাজ্য
  • লাইফস্টাইল
  • লিড নিউজ
  • সংবাদ শিরোনাম
  • সম্পাদকীয়
  • সাক্ষাৎকার
  • সাহিত্য
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • স্বাস্থ্য

Recent News

Bangladesh–Malaysia Labour Recruitment: A Painful History of Flip-Flop, Broken Promises and Worker Suffering

Bangladesh–Malaysia Labour Recruitment: A Painful History of Flip-Flop, Broken Promises and Worker Suffering

Friday, 16 October, 2026 | 2:24 am
ঢাকার ফুটপাতে মারধর, অভিযুক্ত যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড

ঢাকার ফুটপাতে মারধর, অভিযুক্ত যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড

Thursday, 15 October, 2026 | 2:35 am
  • About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact

স্বত্ব © 2025 সোজা কথা | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed and Maintained by Team MediaTix.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • মানবাধিকার
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • প্রবাস
  • মতামত
  • যুক্তরাজ্য
  • বিবিধ
    • স্বাস্থ্য
    • কলাম
    • ভিডিও
    • সোশ্যাল মিডিয়া
    • লাইফস্টাইল
    • সাক্ষাৎকার
  • ENGLISH SECTION

স্বত্ব © 2025 সোজা কথা | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed and Maintained by Team MediaTix.